পীরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর


পীরগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের রংপুর জেলার একটি উপজেলা (তৃতীয় স্তরের প্রশাসনিক ইউনিট)। প্রশাসনিকভাবে এটি রংপুর বিভাগের রংপুর জেলার অন্তর্গত। এ উপজেলার প্রশাসনিক সদরদপ্তর বা রাজধানীর নাম পীরগঞ্জ। পলাশবাড়ী, ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, সাদুল্লাপুর ও মিঠাপুকুর উপজেলার সাথে এ উপজেলার সীমানা রয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলার আয়তন ৪০৯.৩৭ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩,৮৫,৪৯৯ জন। আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এটি রংপুর জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা (রংপুর সদর উপজেলার পরে)।পীরগঞ্জকে বিল উপজেলা বলা হয়।

ইতিহাস

প্রাচীনকালে পীরগঞ্জ উপজেলা কামরুপ রাজ্যের অংশ ছিল। কামরুপের নরক রাজার রাজত্বকালে পীরগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর তীর পর্যন্ত তার রাজত্ব বিস্তৃত ছিল। মিঠাপুকুর উপজেলার পাটকাপাড়া ও উদয়পুর পূর্বে পীরগঞ্জের বাগদুয়ার পরগণার অধীন ছিল। মধ্যযুগে পীরগঞ্জ কামতা রাজাদের অধীনে ছিল। রাজা নীলাম্বর পীরগঞ্জের চতরাহাটের পশ্চিম পার্শ্বে একটি দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, যা নীল দরিয়ার দুর্গ নামে পরিচিত ছিল এবং এখনও এর ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।


অবস্থান

পীরগঞ্জ উপজেলা রংপুর জেলা সদর হতে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, বগুড়া থেকে উত্তর দিকে, কর্কটক্রান্তি রেখার সামান্য উত্তরে অবস্থিত। উপজেলাটি ২৫°১৮’ উত্তর অক্ষাংশ হতে ২৫°৩১’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০৮’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ হতে ৮৯°২৫’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এ উপজেলা উত্তরে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলা, দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা, পূর্বে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা দ্বারা বেষ্টিত। পীরগঞ্জ উপজেলার মোট আয়তন ৪০৯.৩৭ বর্গকিলোমিটার। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এর গড় উচ্চতা ০০ মিটার বা ০০ ফুট। বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি অনুসারে পীরগঞ্জ উপজেলা তিস্তা প্লাবন ভূমিতে অবস্থিত এবং এর ভূসংস্থান বালু মিশ্রিত বেলে দোআঁশ ও এঁটেল দোআঁশ মাটি দ্বারা গঠিত সমভূমি, যা উত্তর থেকে দক্ষিণে কিছুটা হলেও ঢালু। পীরগঞ্জ উপজেলার বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২১০৬ মিলিমিটার। বছরের অধিকাংশ সময়ই এখানে ক্রান্তীয় গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো এ উপজেলাতেও এপ্রিল থেকে জুন হল সবচেয়ে উষ্ণতম মাস, যার তাপমাত্রা থাকে সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি হল সবচেয়ে শীতলতম মাস, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মুক্তিযুদ্ধ

১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাজারে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে পূর্ণ হরতাল পালিত হয়। ঐ দিন ছাত্র ও জনসাধারণের মিলিত একটি সভায় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা না করা পর্যন্ত অবিরাম সংগ্রাম চালিয়ে যাবার আহবান জানানো হয় (সৈনিক, ২ মার্চ ১৯৫২)।

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পীরগঞ্জ ৬নং সেক্টরের অধীনে ছিল। পীরগঞ্জ স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালের ৭ই ডিসেম্বর। যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে মিত্রবাহিনী লালদিঘী নামক স্থানে রংপুর- বগুড়া মহাসড়ক বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পাকিস্তানি বাহিনী থানায় গোলাবর্ষণ করে এবং থানার অবকাঠামো বিধ্বস্ত করে। ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মাদারগঞ্জ, মীরপুর এবং আংরার ব্রীজে প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে। আগুনে পুড়ে দেয় মাদারগঞ্জ, আংরার ব্রীজ সংলগ্ন উজিরপুরের জেলেপাড়া এবং টুকুরিয়ার সুজারকুটি গ্রাম।মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ২ (আংরার ব্রীজ ও মাদারগঞ্জ হাট)।

প্রশাসনিক এলাকা

পীরগঞ্জ উপজেলা ১টি পৌরশহর (পীরগঞ্জ পৌরসভা) ও ১৫টি ইউনিয়নে বিভক্ত। ইউনিয়নসমূহ আবার ৩০৮টি মৌজা ও ৩৩৩টি গ্রামে বিভক্ত।

ইউনিয়নসমূহ:


এক নজরে পীরগঞ্জ উপজেলা

উপজেলা
পৌরসভাইউনিয়নমৌজাগ্রামজনসংখ্যাঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি)শিক্ষার হার (%)
শহরগ্রামশহরগ্রাম
১৫৩০৮৩৩৩১২১৪১৩৩৩৪৫২৮৪৪৫২.৬৩৩৮.৫৬
উপজেলা শহর
আয়তন (বর্গ কিমি)মৌজালোকসংখ্যাঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি)শিক্ষার হার (%)
৬.২৪১২১৪১১৯৪৬৫২.৬৩
ইউনিয়ন
ইউনিয়নের নাম ও জিও কোডআয়তন (একর)লোকসংখ্যাশিক্ষার হার (%)
পুরুষমহিলা
কাবিলপুর ৩৭৭৫০৬১৩৫৮৬১৩০১২৩৪.৪৩
কুমেদপুর ৪৪৫৮০৬১০৩২৮১০৩৭৬৩৪.৭৮
চতরা ৩১৮৫৪৩১১৯৯৬১১৪১৭৩৮.০১
চৈত্রকুল ২৫৭৪৭০১০২০১৯৮৮২৩৫.৭২
টুকুরিয়া ৯৫৬৬৬৫৯২১৬৮৪২৭৩৩.৭৮
পাঁচগাছা ৬৩৫৭২১১১৪০৯১১৩৪৮৪৩.৭৫
পীরগঞ্জ ৬৯৫৮৯৫১৬০১৬১৫৩৫৭৪৪.৭৯
বড় আলমপুর ০৬৭৯৬০৯৪৬৭৮৯১০৩৪.৭৫
বড় দরগাহ ১২৫৬৭৬১২৭৭৩১২৩৭৫৪১.১১
ভেন্দাবাড়ী ১৮৬১৯৬৯৮৭৩৯৪৮৭৪৩.৭৭
মদনখালী ৫০৬৬৮৬১০৬৮৪১০০৬৭৩৯.০৮
মিঠাপুর ৫৬৬৭৮৬১৩৩৫৮১৩০৭৫৩৮.৬৮
রামনাথপুর ৮২৮৩৪৫১৪৯১৮১৪৪১৪৩৯.৩১
রায়পুর ৭৫৫৭২৯১০৪৩৯৯৯৩৬৪২.৩৩
শানেরহাট ৮৮৬৪৬১১১৭৬১১১৪৮৫৩৮.০৭

আইনশৃঙখলা দিক থেকে এটি বাংলাদেশ পুলিশের পীরগঞ্জ থানার অধীন।পীরগঞ্জ থানা গঠিত হয় ১৯১০ সালে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৪ নং রংপুর-৬ আসনটি এ উপজেলা নিয়ে গঠিত।

জনসংখ্যার উপাত্ত

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ৩৮৫,৪৯৯ জন, যা স্বাধীন রাষ্ট্র বেলিজের জনসংখ্যার সমান। এর মধ্যে ১৯২,০২৫ জন পুরুষ এবং ১৯৩,৪৭৪ জন মহিলা। নারী ও পুরুষের লিঙ্গ অনুপাত ১০১:১০০, যা জাতীয় অনুপাতের উল্টো (জাতীয় অনুপাত ১০০.৩)। ৫ বছরের নিচের শিশুদের সংখ্যা প্রায় ৫৪,৪৫১ জন, উপজেলার মোট জনসংখ্যার ১৪%। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে এমন জনসংখ্যা ২৩৯,৫১১ জন, যার মধ্যে নারী ১২৪,২৮৭ জন এবং বিবাহিত নারীর সংখ্যা হল ৯৭৪৪৮ জন। ২০১১ গৃহগণনার তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় ১০১,৬৪০টি খানা বা পরিবার রয়েছে।

পীরগঞ্জ উপজেলায় আদিকাল থেকেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আদিবাসী বসবাস করে আসছে এবং ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই আদিবাসীরা সবসময় একটি স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে এসেছে। ঢাঁক, ঢোল, কাসর, তোরংগ, বাঁশী এ এলাকার বেশ জনপ্রিয় বাদ্যযন্ত্র।

শিক্ষা

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার স্বাক্ষরতার হার ৪৫.৪%, যা ২০০১ সালে ৩৯.০৭% ছিল। নারী স্বাক্ষরতার হার ৪৩.১% এবং পুরুষের স্বাক্ষরতার হার ৪৭.৭%। উপজেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে; সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজ, গুর্জিপাড়া কে পি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, শাহ ইসমাঈল গাজী (রঃ) কামিল মাদ্রাসা, কাদিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয়, মদনখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চক করিম প্রাথমিক বিদ্যালয় অন্যতম।

বিবিধ

হাট-বাজার:

এখানে ৩০টি হাট ও বাজার রয়েছে; এগুলোর মধ্যে আব্দুল্যাপুর হাট, কলোনি বাজার, কাউয়াপুকুর বাজার, কাদিরাবাদ হাট, কুমেদপুর বাজার, খালাশপীর হাট-বাজার, খেজমতপুর গণিরহাট, গুর্জিপাড়া হাট-বাজার, বড় দরগাহ হাট-বাজার, চতরা হাট-বাজার, ছোট উমরপুর বাজার, জামতলা হাট, জাহাঙ্গীরাবাদ হাট, পীরগঞ্জ বাজার, পীরেরহাট, বটেরহাট, বালুয়াহাট, ভেন্ডাবাড়ী হাট-বাজার, মন্ডলের বাজার, শানের হাট-বাজার, মাদারগঞ্জ হাট-বাজার, মাদারহাট, রসুলপুর বাজার, রায়পুর বাজার, কদমতলা বাজার একতা বাজার , জনতার বাজার উল্লেখযোগ্য।

জলাশয়: প্রধান নদী - করতোয়া, আখিরা, যমুনেশ্বরী।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান:  লাইব্রেরি ১, ক্লাব ৭০, নাট্যদল ২, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শাখা অফিস ১, সিনেমা হল ৩।

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস: কৃষি ৭৪.৮৭%, অকৃষি শ্রমিক ২.৭%, শিল্প ০.৫৭%, ব্যবসা ৯.১৭%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৬২%, চাকরি ৩.৬৫%, নির্মাণ ০.৭৬%, ধর্মীয় সেবা ০.১৬%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ০.৮% এবং অন্যান্য ৩.৭%।

কৃষিভূমির মালিকানা: ভূমিমালিক ৫৭.৯৪%, ভূমিহীন ৪২.০৬%। শহরে ৫৫.৮৫% এবং গ্রামে ৫৮.০১% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।

প্রধান কৃষি ফসল: ধান, গম, ভূট্টা, আখ, সরিষা, আলু, শাকসবজি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি: পাট, অড়হর, আউশ ধান।

প্রধান ফল-ফলাদি: আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু, পেঁপে, কলা।

মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার: হাঁস-মুরগি ৩০, গবাদিপশু ৩৫, মৎস্য ৩৫।

যোগাযোগ বিশেষত্ব: পাকারাস্তা ১৪০ কিমি, কাঁচারাস্তা ৪৪০ কিমি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন: পাল্কি ও গরুর গাড়ি।

শিল্প ও কলকারখানা: ধানকল, করাতকল, তেলকল, ওয়েল্ডিং কারখানা।

কুটিরশিল্প: লৌহশিল্প, মৃৎশিল্প, রেশমশিল্প, পাটের কাজ, কাঠের কাজ।

মেলা: মেলা ১০। রামনাথপুর বৈশাখী মেলা, জাফরপুরের বউরাণী মেলা, বড়বিল বারুণী মেলা, হরিণ সিংগার দিঘি বারুনী মেলা, ভেন্দাবাড়ী মেলা, ফুলবাড়ি মেলা ও বড় দরগাহ মহররম মেলা উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য: ধান, গম, আলু, কলা, আখের গুড়, শাকসবজি।

বিদ্যুৎ ব্যবহার: এ উপজেলার সবক’টি ইউনিয়ন পল্লিবিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ১৩.১৫% (শহরে ৪৮.৩৯% এবং গ্রামে ১২.০৯%) পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

প্রাকৃতিক সম্পদ:  মাগুরা (খালাশপীর) কয়লাখনি।

পানীয়জলের উৎস: নলকূপ ৯৪.০৮%, ট্যাপ ০.১৬%, পুকুর ০.২১% এবং অন্যান্য ৫.৫৫%।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা: এ উপজেলার ১০.৩% (শহরে ৩৭.১২% এবং গ্রামে ৯.৫%) পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ২৭.৮৭% (শহরে ২৫.৯৩% এবং গ্রামে ২৭.৯৩%) পরিবার অস্বাস্থ্যকর  ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। ৬১.৮৩% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র: উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ১, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ১২, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ১৫, দাতব্য চিকিৎসালয় ৭।

তথ্যসূত্র:  আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো; পীরগঞ্জ উপজেলার সাংস্কৃতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন ২০০৭।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

দর্শনীয় স্থান

  • হাতীবান্ধা মাজার শরীফ
  • বামনীর বিল
  • আনন্দ নগর
  • নীল দরিয়া
  • হাতিবান্ধা মসজিদ
  • কাটাদুয়ার দরগাহ
  • দরিয়ার দরগা
  • সাধক কবি হেয়াত মামুদ মাজার
  • রায়পুর জমিদার বাড়ী
  • কবিলপুর জমিদারের কাঁচা
  • জেলা পরিষদ ডাক বাংলা
  • খালাশপীর মসজিদ
  • ড. ওয়াজেদ মিয়া সেতু
  • প্রচীন জামে মসজিদ মকিমপুর
  • মাগুড়া কয়লা খনি
  • শাহ ইসমাইল গাজীর দরগাহ
  • সংবাদপত্র

    1. কাগুজে পত্রিকার মধ্যে ‘বজ্রকথা’ পীরগঞ্জ উপজেলার প্রথম পত্রিকা। যা সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে এখনো প্রকাশিত হয়ে আসছে।
    2. পীরগঞ্জ টোয়েন্টিফোর (Pirganj24) পীরগঞ্জের সর্বপ্রথম এবং সর্বাধিক পঠিত অনলাইন পত্রিকা। যা ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে।
    3. সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে ‘সমকালীন বার্তা’ পীরগঞ্জবাসীকে খবরের যোগান দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

Post a Comment

Previous Post Next Post